সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিরাজগঞ্জে দুই উপজেলায় তিন রাতে পাঁচ কৃষকের ২০ গরু চুরি

সিরাজগঞ্জের দুটি উপজেলায় গত তিন রাতে ৫টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। গোয়ালঘরের তালা খুলে পাঁচজন কৃষকের ২০ গরু লুট করে নিয়ে গেছে দূর্বৃত্তরা।

 

 

 

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত থেকে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পর্যন্ত তাড়াশ উপজেলা সদরের খুটিগাছা, বারুহাস ইউনিয়নের পেঙ্গুয়ারি ও কুসুম্বী গ্রামে এবং রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের বাগিচা গোয়ালপাড়া ও আদিত্যবাড়িয়া এলাকায় এসব চুরির ঘটনা ঘটে।

 

 

 

 

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দুইটা থেকে আড়াইটার দিকে তাড়াশ পৌর এলাকার খুটিগাছা গ্রামের হায়দার আলীর গোয়াল ঘরের তালা ভেঙে আটটি গরু চুরি করে নিয়ে চোরের দল। আট গরু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন হায়দার আলী।

আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির নতুন কমিটি ডনু আহবায়ক, জলিল সদস্য সচিব

 

 

পরদিন সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে রায়গঞ্জ উপজেলার জামতৈল বাগিচা গোয়ালপাড়া এলাকায় নাকাটি বাজারের পাশে শরিফুল ইসলামের গোয়ালঘর থেকে একটি গাভী ও দুটি বকনা গরু চুরি হয়। একই রাতে উপজেলার আদিত্যবাড়িয়া এলাকার দিনমজুর তরিফুল ইসলামের গোয়ালঘর থেকে একটি ষাঁড়, একটি বকনা ও একটি গাভী চুরি করে নিয়ে যায় দূর্বৃত্তরা।

 

 

 

 

রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, গরু চুরির ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আমরা তদন্ত শুরু করেছি। চোর সনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশী অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।

 

 

 

 

এদিকে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে তাড়াশ উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের পেঙ্গুয়ারি গ্রামের মন্টু প্রামানিকের গোয়ালঘরের তালা ভেঙে চারটি গরু চুরি করে নিয়ে যায় দূর্বৃত্তরা। একই রাতে একই ইউনিয়নের কুসুম্বী গ্রামের দরিদ্র কৃষক সাজেদুল ইসলামের গোয়াল থেকে দুটি গরু চুরি করে নিয়ে যায় দূর্বৃত্তরা।

 

 

 

 

এদিকে তিনদিনে ৫টি ভয়াবহ গরু চুরির ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতংক সৃষ্টি হয়েছে। কৃষক ও খামারিরা প্রতিরাতই কাটাচ্ছেন গরু চুরির আতংক নিয়ে।

 

 

 

তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাম জাফর বলেন, “পুলিশ চুরির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। চুরি যাওয়া গরুগুলো উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত চোরচক্রের সদস্যদের শনাক্ত করতে অভিযান চলছে।”

2 thoughts on “সিরাজগঞ্জে দুই উপজেলায় তিন রাতে পাঁচ কৃষকের ২০ গরু চুরি

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিরাজগঞ্জে দুই উপজেলায় তিন রাতে পাঁচ কৃষকের ২০ গরু চুরি

আপডেট টাইম : ০৪:২০:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিরাজগঞ্জের দুটি উপজেলায় গত তিন রাতে ৫টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। গোয়ালঘরের তালা খুলে পাঁচজন কৃষকের ২০ গরু লুট করে নিয়ে গেছে দূর্বৃত্তরা।

 

 

 

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত থেকে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পর্যন্ত তাড়াশ উপজেলা সদরের খুটিগাছা, বারুহাস ইউনিয়নের পেঙ্গুয়ারি ও কুসুম্বী গ্রামে এবং রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের বাগিচা গোয়ালপাড়া ও আদিত্যবাড়িয়া এলাকায় এসব চুরির ঘটনা ঘটে।

 

 

 

 

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দুইটা থেকে আড়াইটার দিকে তাড়াশ পৌর এলাকার খুটিগাছা গ্রামের হায়দার আলীর গোয়াল ঘরের তালা ভেঙে আটটি গরু চুরি করে নিয়ে চোরের দল। আট গরু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন হায়দার আলী।

আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির নতুন কমিটি ডনু আহবায়ক, জলিল সদস্য সচিব

 

 

পরদিন সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে রায়গঞ্জ উপজেলার জামতৈল বাগিচা গোয়ালপাড়া এলাকায় নাকাটি বাজারের পাশে শরিফুল ইসলামের গোয়ালঘর থেকে একটি গাভী ও দুটি বকনা গরু চুরি হয়। একই রাতে উপজেলার আদিত্যবাড়িয়া এলাকার দিনমজুর তরিফুল ইসলামের গোয়ালঘর থেকে একটি ষাঁড়, একটি বকনা ও একটি গাভী চুরি করে নিয়ে যায় দূর্বৃত্তরা।

 

 

 

 

রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, গরু চুরির ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আমরা তদন্ত শুরু করেছি। চোর সনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশী অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।

 

 

 

 

এদিকে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে তাড়াশ উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের পেঙ্গুয়ারি গ্রামের মন্টু প্রামানিকের গোয়ালঘরের তালা ভেঙে চারটি গরু চুরি করে নিয়ে যায় দূর্বৃত্তরা। একই রাতে একই ইউনিয়নের কুসুম্বী গ্রামের দরিদ্র কৃষক সাজেদুল ইসলামের গোয়াল থেকে দুটি গরু চুরি করে নিয়ে যায় দূর্বৃত্তরা।

 

 

 

 

এদিকে তিনদিনে ৫টি ভয়াবহ গরু চুরির ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতংক সৃষ্টি হয়েছে। কৃষক ও খামারিরা প্রতিরাতই কাটাচ্ছেন গরু চুরির আতংক নিয়ে।

 

 

 

তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাম জাফর বলেন, “পুলিশ চুরির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। চুরি যাওয়া গরুগুলো উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত চোরচক্রের সদস্যদের শনাক্ত করতে অভিযান চলছে।”